বিস্তারিত

ছোট থেকে বড়- সকলেই তাকে ডাকত নানা বলে। নেতিবাচক চরিত্রে যেমন গালি শুনেছেন, ইতিবাচক ও কমেডি চরিত্রে পেয়েছেন করতালি। কয়েক প্রজন্ম তাকে চেনে এক নামে, অমল বোস।
ষাটের দশকে মঞ্চ নাটকে পা রাখেন অভিনয়ে। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে নিয়মিত ছিলেন বেতার, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও বিজ্ঞাপনে। তবে ইত্যাদির নানা চরিত্রে পান তুমুল জনপ্রিয়তা, হয়ে উঠেন সকল বয়সীর নানা।
শুধু সংলাপ বলা বা অঙ্গভঙ্গিতেই সীমাবদ্ধ থাকতেন না, গভীরে ঢুকে জীবন্ত করে তুলতেন চরিত্র। পেশাগত জীবনে সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ অমল বোস ব্যক্তিজীবনেও ছিলেন স্নেহপ্রবণ। দুই জায়গাতেই ছিলেন সকলের প্রিয়।
পাড়ার মঞ্চে জাত চিনিয়ে ‘রাজা সন্ন্যাসী’ দিয়ে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু। এরপর ‘নীল আকাশের নীচে’, 'বিয়ের ফুল’, 'মিলন হবে কত দিনে', ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ’সহ অভিনয় করেছেন বহু চলচ্চিত্রে। পাশাপাশি নাম লেখান পরিচালনায়ও।
দীর্ঘ অভিনয় জীবনে ‘আজকের প্রতিবাদ’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে পান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ২০১২ সালের আজকের দিনেই পৃথিবীভ্রমণ শেষ করেন বর্ষীয়ান এই অভিনেতা।
এই লেখায় আপনার প্রতিক্রিয়া
একটি প্রতিক্রিয়া বেছে নিন; সরাতে আবার চাপুন।

